প্রেসিডেন্টস কাপে ছিল পেস বোলারদের হুঙ্কার। জাতীয় দলের মোহাম্মদ সাইফউদ্দি, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদরা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ছিলেন দুর্দান্ত। আলো কেড়েছেন সুমন খানও।
৪ ম্যাচে ১২ উইকেট পেয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তামিম একাদশের সাইফউদ্দিন। এক ম্যাচ বেশি খেলে সমানসংখ্যক উইকেট নিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন দল মাহমুদউল্লাহ একাদশের রুবেল হোসেন। ফাইনালে পাঁচ উইকেট পেয়ে টেবিলের তিনে উঠে এসেছেন সুমন খান। মাহমুদউল্লাহ একাদশের এ পেসার নিয়েছেন নয় উইকেট।
৮ উইকেট নিয়ে সুমনের পরে আছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। টুর্নামেন্টে তার ইকোনমি ৩.৫৭। কমপক্ষে ২৫ ওভার বোলিং করা বোলারদের মাঝে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ইকোনমি তার। এছাড়া ৮ টি করে উইকেট নিয়েছে আল-আমিন হোসেন ও এবাদত হোসেন। স্পিনারদের মাঝে সবচেয়ে বেশি উইকেট নাজমুল একাদশের নাসুম আহমেদের। তিন ম্যাচে ছয় উইকেট পেয়েছেন নাসুম।
সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হলেনঃ ;:
১। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (তামিম একাদশ) : ৪ ম্যাচে ১০.৩৩ গড়ে ১২ উইকেট।
২। রুবেল হোসেন (মাহমুদউল্লাহ একাদশ) : ৫ ম্যাচে ১৩.৪১ গড়ে ১২ উইকেট।
৩। সুমন খান (মাহমুদউল্লাহ একাদশ) : ৩ ম্যাচে ১৩.৪৪ গড়ে ৯ উইকেট।
৪। মুস্তাফিজুর রহমান (তামিম একাদশ) : ৪ ম্যাচে ১৪.৭৫ গড়ে ৮ উইকেট।
৫। আল-আমিন হোসেন (নাজমুল একাদশ) : ৪ ম্যাচে ১৯.১২ গড়ে ৮ উইকেট।
৬। এবাদত হোসেন (মাহমুদউল্লাহ একাদশ) : ৫ ম্যাচে ২৭.৫০ গড়ে উইকেট।
৭। তাসকিন আহমেদ (নাজমুল একাদশ) : ৫ ম্যাচে ২৬.২৮ গড়ে ৭ উইকেট।
৮। নাসুম আহমেদ (নাজমুল একাদশ) : ৩ ম্যাচে ১৬.৩৩ গড়ে ৬ উইকেট।
৯। আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী (নাজমুল একাদশ) : ৩ ম্যাচে ১৯.৭৫ গড়ে ৪ উইকেট।
১০। রিশাদ হোসেন (নাজমুল একাদশ) : ৪ ম্যাচে ২৪.২৫ গড়ে ৪ উইকেট।
১১। শরীফুল ইসলাম (তামিম একাদশ) : ৩ ম্যাচে ২৫.২৫ গড়ে ৪ উইকেট।

0 মন্তব্যসমূহ
Thanks for comment. Stay with us.